পিশাচিনী গল্পের বইটিতে পাঠকগন ৩টি গল্প পাবেন। প্রথম গল্পটির নামেই বইটির নামকরণ হয়েছে। এই গল্পে কয়েকজন বন্ধু একটি গ্ৰামে ঘুড়তে যায়। সেই গ্রামে কোনো বাচ্চা নেই। পরে তারা জানতে পারে সেই গ্রামে এক পিশচিনী আছে, যে সব বাচ্চাদের মেরে ফেলে। তোড়া এবং তার বন্ধুরা কীভাবে পিশচিনীর হাত দিয়ে রক্ষা পায় সেই নিয়েই এই গল্প।
দ্বীতিয় গল্পটির নাম অপেক্ষা। বাংলাদেশ বিভাজন হওয়ার পর শশীনাথ ভারতে চলে আসে। তার স্ত্রী চারুলতা বালোদেশেই তার অপেক্ষা করতে করতে একসময় মারা যায়। মরে যাওয়ার পরেও চারুলতার আত্মা তার স্বামীর অপেক্ষা করতে থাকে। চারুলতার আমৃত্যু এবং মৃত্যু পরবর্তী তার স্বামীর জন্য তার অপেক্ষাই হোলো এই গল্পের বিষয়বস্তু।
তৃতীয় গল্পটি হল সমীরণ নামের এক সরকারি কর্মচারির, যে শহরের কোলাহল দিয়ে বাঁচতে গিয়ে ওঠে এক গ্ৰামে। সেখানে গিয়ে সে এমন এক আত্মার কবলে পরে, যে নিজেই মৃত্যু জন্ত্রনায় ব্যাথিত। সমীরন কীভাবে সেই ভূতের পাল্লায় পড়ে, সেই নিয়েই এই গল্প।