'গল্পের মান্দাস' অবশেষে দুই মলাটে ধরা পড়লো। সময় ভেলায় ছুটে চলা নিজস্ব কথামালার নির্দিষ্ট কিছু অবয়ব থাকে। কিছু গল্প এই মান্দাস উৎরে যায়। আপাত অপরিচিত লেখক কিংবা স্বনামধন্
এটি একটি পরিচিত লিটিল ম্যাগাজিন। যা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পাঠকের কাছে সমাদৃত। দীর্ঘদিন যাবত বহু খ্যাতনামা সাহিত্যিকরা এই পত্রিকায় তাদের সৃজিত সাহিত্য কর্ম প্রকাশিত করে চলেছেন
এই দহন বেলা কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলির মধ্যে জীবনের ঘ্রাণ, উন্মেষ ও কাতরতা আছে। প্রাত্যহিক কর্মজীবনের চালচিত্র আছে। তাই দিবারাত্রির এই কবিতাগুলি খুবই সতেজ ও উজ্জ্বল। যন্ত্রণ
আমি ছবি আঁকি, তাই যা’ই দেখি আমি আমার চৌকো ফ্রেমে আটকে রাখি। সে আমাদের বাজারের সবজি বেচা চাঁদু বা ব্যাংকের টাই আঁটা বড়বাবু। তারা হাসে, কথা বলে অথবা গম্ভীরভাবে জ্ঞান দেয়। যেমন শ
প্রিয় মানুষটাকে আর আমাদের মধ্যে পেতে চাই না বরং ভয়ে আতঙ্ক গ্রস্ত হয়ে তাদের থেকে পালিয়ে বেড়াই। তাদের যে কাছের মানুষ জনকে ছেড়ে চলে যেতে হয় এবং হারিয়ে যাওয়া মানুষ গুলো য
এই বইয়ে আছে তিনটি গল্প, যার প্রথম দুটোই রিপুর বশে নিরীহ সাধারণ মানুষও কেমন না-মানুষ হয়ে ওঠে তার প্রমাণ রাখার চেষ্টা করেছি, আর তৃতীয় কাহিনীটা তো একাধারে তিনটে কাহিনীর শৃঙ্খলে
এই কাব্য গ্রন্থে অলকানন্দা ও দেবপ্রয়াগ- দুটি চরিত্রের আশা আকাঙ্খা ও বেদনার মেঘ ভার এবং ওদের জীবনে এগিয়ে চলার সংগ্রাম ও মিলিত হওয়ার দুর্দমনীয় আকাঙ্ক্ষা ও প্রেম বিরহের আখ্যান ব
এখানে আছে তিনটি কাহিনী, যার প্রথম দুটোই রিপুর বশে নিরীহ সাধারণ মানুষও কেমন না-মানুষ হয়ে ওঠে তার প্রমাণ রাখার চেষ্টা করেছি, আর তৃতীয় কাহিনীটা তো একাধারে তিনটে কাহিনীর শৃঙ্খলে
"বেড়াল রহস্য " গল্পে এক বেড়ালের রহস্যময় উপস্থিতি যা যুক্তি তর্ক বিচারের উর্ধ্বে মানুষেকে এমনি এক ধারণায় পৌঁছে দেয় যেখানে শুধুই মায়ার বন্ধন গুলি সমস্ত যুক্তির জলকে ছিন্ন
সামগ্রিক ভাবে লেখকের প্রচেষ্টা বাঙলা ও বাঙালির ঐতিহ্যকে সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা। মুর্শিদাবাদের একজন বিশ্বস্ত ভ্রমণসঙ্গী হিসাবে পুস্তকটি সাথে রাখলে ভালো লাগবে।
গতিময় জীবন যুগান্তরের হাত ধরে এগিয়ে চলে।এই দীর্ঘ চলার পথের চড়াই উতরাই, নদীর বাঁকের কাছে হার মানে। নদী গর্ভে পড়ে থাকা নুড়ি পাথরের মতো জীবন পুরের পথিকেরও প্রতিটা পাতার রং এ
কতকিছু আমাদের চতুর্পার্শ্বে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়। আর তার গঠন এবং নির্মাণ শুধুমাত্র আমাদের ধারণা বা কল্পনা প্রসূত। সেই ডানা মেলা ধারণা গুলি রাতের অন্ধকার যত গভীর হয় তাদের দ
যে ভাবনা, যে বোধ কখনো পুরনো হয় না তা হলো দেশাত্মবোধ। দেশকে ভালোবাসার কম-বেশি অনুরাগ আমাদের একেবারে মজ্জাগত। প্রত্যেকেই আমরা নিজের মতো করে বলি - এ মাটি আমার মাটি! তাই প্রত্যেকের
“আল্পনা” কাব্যগ্রন্থে। মহাসমুদ্রের অতল থেকে অবগাহন করে উঠে এসেছে পবিত্র সন্ন্যাসীর মত। সিদ্ধ মন্ত্রে ঋদ্ধ করেছে আমার অনুচ্চারিত বাণীকে। তাদের মর্মস্পর্শী গ্রন্থনা কবি
কি আছে! আর কি নেই! এরকম তর্ক করতে করতে কত ছোটবেলার সন্ধা রাত পেরিয়ে এসেছি। ঠাকুরমা, দিদিমা এবং দিদি, দাদাদের কাছ থেকে শুনেছি গা ছমছম করা কত রকম ভয় জাগানো গল্প। ভারী ভাবতে ইচ্ছা ক
“যৌক্তিক দরজার ওপারে কে দাঁড়িয়ে আছে?” সেই প্রশ্ন নিয়ে ভাবতে ভাবতেই কিছু লেখকের কলমে উঠে এসেছে বেশ কিছু অসাধারণ গল্প। পাঠকের দরবারে নিবেদিত হলো ভৌতিক গল্প সংকলন ‘দরজ
এই বইটিতে যে পাঁচটি গল্প আছে তার মধ্যে ছোট ছোট বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয় উল্লেখ আছে। বিজ্ঞান জিজ্ঞাসু পাঠকের কাছে তা যদি সমাদৃত হয় তবে আমার প্রচেষ্টা স্বার্থক।
এই উপন্যাসটির মধ্যে সমসাময়িক জীবনের কিছু ঘাত প্রতিঘাত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। গতিময় জীবনের পরতে পরতে মেঘ বৃষ্টি বজ্রের সহবাসে মানুষ যেমন অভ্যস্ত হয়ে পড়ে তেমনি সুখ দুঃখ অ
রোদ রঞ্জন গল্পের পটভূমিকা আগাগোড়া প্রকৃতির সঙ্গে চলেছে আত্মিক যোগ যার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে পাঠকের সাথে প্রকৃতির যোগসূত্র। এই মেল বন্ধন কে ঘিরে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে
‘প্ল্যাটফর্ম নাম্বার আট’ এই শিরোনামে প্রকাশিত এই বইটি পিকু এবং ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কিছু ছোট গল্প নিয়ে সংকলিত। প্রকৃত অর্থে একজন ভোজন রসিক যখন ভোজন করতে বসেন, তখন তিন
আজকের ব্যস্তজীবনের ইঁদুর দৌঁড়ে সবাই নাম লিখিয়েছি প্রতিযোগিতার এক অলীক খেলায়। ছুটে চলেছি শুধু কিছু চাহিদা পূরণের আশায়, একটা পূর্ণ হলে আরেকটা, সেইটা পেয়ে গেলে আরেকটা। চাহিদার প
এখানে ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায় জলি ঘোষ এবং পিকুর লেখা গল্পগুলি প্রতিটি নিজস্বতা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের উজ্জ্বল, প্রতিটি গল্পের নিজস্ব ভঙ্গিমা আছে, সমাজের প্রায় সমস্ত আর
বাংলা সাহিত্যের কবি সাহিত্যিকরা নিজেদের স্বাধীন সত্তার অনুপ্রেরণা থেকে সৃজনে মনোনিবেশ করেন। অর্থনৈতিক আতি সচেতনতার যুগ প্রবর্তনের পরে একসময় মনে করা হয়েছিল সাহিত্যিকর
সময়ের পাখায় ভর করে ঘুরছে পৃথিবী।মায়ার সংসারে ভালোবাসার ঠিকানা নিয়ে জীবন চক্র,সময়ের ইশারায় খসে পড়ে মুহূর্ত। সেই মুহূর্ত কে লেখনী দিয়ে ধরে রাখার চেষ্টা আমার । মনের আঙ্
বিমূড় যুগের বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সাক্ষ্য রেখে যে কবি সবার অলক্ষ্যে রেখে গিয়েছিলেন এক অনন্য ভাবমূর্তি,একানন্য শৈল্পিকসত্তা-সেই অনন্য কবির জীবনালেখ্যকে সাক্ষ্য করেই তা
আজ থেকে বছর খানেক আগে ১২ ই জুন ২০২১, সাহিত্যচর্চাকে
আনন্দের আকর ভাবা আমরা কয়েকজন বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে ফেসবুকের পাতায় যেদিন “একান্তে” নামে একটি স্
মহাতীর্থ আন্দামান। আজ এক আকর্ষনীয় ট্যূরিষ্ট স্পট। এর আর এক নাম সবুজ দ্বীপ। বিস্তীর্ন ঘন নীল বঙ্গোপসাগর আর তার মাঝে মাঝে এক একটি সবুজ দ্বীপ একদিকে যেমন আজকের প্রজন্মের
সুনীলের মতো নীরাকে ছন্দে, বর্নে আর ভালোবাসায় গেথে ফেলি কবিতার ছত্রে ছত্রে। শুধু নীরার জন্য হয়ে উঠে সাতচল্লিশ টা প্রেমের কবিতা। ধন্যবাদ সুনীল আমাকে একটা নীরা দেওয়ার জন্য। আশাক
এই কাব্যগ্ৰন্থের নাম ‘বিচিত্র কবিতা’। এর করণ কবিতাগুলি স্বাদ ও রসের দিক থেকে বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বিষয়বস্তুর দিক থেকেও। এই কাব্যগ্ৰন্থে আমার ২৩ টি কবিতা রয়েছে বিচিত্
আধুনিক তথা উত্তর আধুনিক পর্বের কাব্যে অন্যতম প্রধান দুই উপজীব্য বিষয় একাকিত্বের কথন আর অবদমিত বিদ্রোহের স্ফুরনের আকুতি। হয়তো আধুনিক জীবনের জটিল পরিস্থিতি এই ধরনের বিষয়ব
পাহাড়ি এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের অত্যন্ত গরীব ঘরের মেয়ে সোমালি পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখে । কিন্তু কলেজে পা দিয়েই অধ্যাপক এর প্রেমে পড়ে যায় ।কিন্
মনবাস কাব্য গ্রন্থটির এক একটি কবিতা গত দু'বছরে লেখা ইতিমধ্যে প্রতিলিপি তেও প্রকাশিত কিছু। ভেবেছিলাম আরও কিছুদিন যাক। তারপর। এই প্রসঙ্গে জানাই, অনেক কবিতা নেট দুনিয়া ঘুরে পু
বর্তমান এই পৃথিবীময় অশান্তির সময়তে সজীব এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে মেঘদুত সাহিত্য পত্রিকা।মেঘদূত সাহিত্য পত্রিকার তার পক্ষপাতিত্বহীন এবং মানসম্মত লেখা প্রকা
আজ আমরা এমন একটা সমাজে বাস করছি যেখানে প্রয়োজনাতিরিক্ত আর্থিক ও বিলাসের সাম্রাজ্য গড়ে তোলার লক্ষে একশ্রেণীর মানুষ অন্য আর এক শ্রেণীর মানুষকে পণ্য করে তুলছে নির্দ্বিধায়।&nb
গল্পটি মূলতঃ যাত্রাপালার আধারে লেখা রহস্য গল্প, যাত্রা আমাদের বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য। তথ্যপ্রযুক্তির তীব্র ঝলকানিতে যা প্রায় মৃতপ্রায় অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। অথচ একসময় কত বড় বড় শ
সমাজে আমাদের চতুষ্পার্শ্বে অনবরত ঘটে চলে বহু কাঙ্খিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রবাহ। যা গেছে তা যাক বলে আমরা সব সময় দায় এড়িয়ে যেতে যেমন পারিনা তেমনি আজ যা ভাবতে বাধ্য থাক
এটি একটি ভারতীয় বঙ্গীয় সামাজিক উপন্যাস।যেখানে ভারতীয় নিম্নবর্গ সমাজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা মানবিকতা প্রেম-ভালোবাসার স্বরূপ উদঘাটিত হয়েছে। এটিকে বর্তমান ভারতীয় সমাজের
উত্তর আধুনিক কালের সমকালীন কিছু সাহিত্যিকদের লেখা ছোট গল্পের সমাহার এই পুস্তক খানি। আমাদের তরফে আগামী দিনে যে সমস্ত অখ্যাতনামা সাহিত্যিকরা, বাংলা সাহিত্যে ভবিষ্যতে নিজেদের